পাঁচে পাঁচ, তবুও উচ্ছ্বাস নেই বিজেপি শিবিরে

তমাল চক্রবর্তী (আলিপুরদুয়ার): সম্পূর্ন উল্টোপথে হাটল বাংলার প্রান্তিক জেলা আলিপুরদুয়ার। লোকসভা ভোটের ট্রেন্ড বজায় রেখে জেলার পাঁচটি বিধানসভার পাঁচটিতেই জয়ী হল বিজেপি। তবে লোকসভা ভোটের নিরিখে জেলার পাচ বিধানসভার সব বিধানসভাতেই ভোট বাড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভা থেকে ভোটের নিরিখে পিছিয়ে গিয়েও জেলার পাচ বিধানসভার সবগুলোতেই জয়লাভ করেছে বিজেপি। জেলার কুমারগ্রাম বিধানসভা বিজেপি ১১ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছে বিজেপি, একইভাবে ২৮ হাজারের বেশি ভোটে কালচিনি, ১৫ হাজারের বেশি ভোটে আলিপুরদুয়ার, ৪ হাজারের বেশি ভোটে ফালাকাটা ও ২৮ হাজারের বেশি ভোটে মাদারিহাট বিধানসভায় জয়লাভ করে বিজেপি। তবে জেলার সব আসন দখল করলেও এদিন বিজেপি শিবিরে কোন উচ্ছ্বাস ছিল না। অন্যদিকে বাম কংগ্রেস সংযুক্ত মোর্চার ভোট একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রে বাম কংগ্রেস সংযুক্ত মোর্চার হ্যাভিওয়েট প্রার্থী বর্ষীয়াণ কংগ্রেস নেতা দেব প্রসাদ রায়(মিঠুদা) ১৫ হাজারের মত ভোট পেয়েছেন। জেলার অন্যান্য কেন্দ্রে বাম কংগ্রেস সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীরা একেবারে নেই হয়ে গেছেন। গোটা রাজ্যে।

আলিপুরদুয়ারে ভোটের ফলাফল নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মৃদুল গোস্বামি বলেন, “ আমরা লোকসভা ভোটে আলিপুরদুয়ার জেলার পাচটি বিধানসভা কেন্দ্রের সব কেন্দ্রেই প্রচুর ভোটে পিছিয়ে ছিলাম। সব সিটেই ৩০ থেকে ৩৫ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে ছিলাম। কোভিডের অবস্থা ছিল। তবুও জেলায় আমরা আমাদের ভোট বাড়িয়েছি। জনগনের রায় আমরা মাথা পেতে নিচ্ছি। শেষ পর্যন্ত গননা কেন্দ্রে রয়েছি। ”

বিষয়টি নিয়ে আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, “ আমি নিজের বাড়ি ঘর সংসার সব ছেড়ে দলের জন্য কাজ করেছি। আলিপুরদুয়ার জেলা হয়েছে। আলিপুরদুয়া্রে বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। অনেক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু তবুও আলিপুরদুয়ারের মানুষ ভোট দেয়নি। এটা খুব দুঃখজনক।” এদিন আলিপুরদুয়ার জেলার পাচটি বিধানসভা বিজেপি জয়লাভ করলেও বিজেপি শিবিরে কোন উচ্ছ্বাস ছিল না। বিজেপির আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, “ জেলার মানুষ আমাদের আশির্বাদ করেছে। এই জন্য জেলার মানুষের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। “

ক্লিক করে পড়ুন ‘সাতসকাল’ ই-খবরের কাগজ

The post satsakal 12-05-2021 appeared first on satsakal.com.