সঙ্গমের পরে ১০ মিনিট শান্ত হয়ে শুয়ে থাকুন

dddddddddd

যৌনতায় যেমন আনন্দ আছে, তেমনই উদ্দাম যৌনতার ফলে শরীরের গোপন অংশ আহতও হয়। কী কী ধরনের ইনজুরি হতে পারে মেয়েদের এবং এরকম কিছু হলে কী করবেন, কী করবেন না, জেনে নিন।
যৌনতা উদ্দাম হতেই পারে। ঠিক সেই মুহূর্তটায় হয়তো খেয়াল থাকে না, কিন্তু পরে বোঝা যায় যে শরীরের নানা অংশে নানা ধরনের ইনজুরি হয়েছে। লাভ বাইট বা নখের আঁচড় তো খুব কমন, কিন্তু তা ছাড়াও মেয়েদের আরও অনেক ধরনের ইনজুরি হতে পারে—

১) যোনির ভিতরে অনেক সময় ট্যাম্পুন বা কন্ডোম আটকে যেতে পারে। ইজাকুলেশনের পরেও যদি অনেকক্ষণ পুরুষাঙ্গ যোনির ভিতরে থাকে, তবে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ, পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিক আয়তনে চলে এলে ঘর্ষণে খুলে যেতে পারে কন্ডোম। আবার যোনিতে ট্যামপুন দিয়ে লিউব ইনসার্ট করার সময়েও ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে বা ট্যামপুন আটকে যেতে পারে।

ট্যামপুন হোক বা কন্ডোম, এর কোনওটিই যোনির ভিতরে দীর্ঘক্ষণ থাকা ভালো নয়। এগুলি যোনির দেওয়ালে ক্ষতের সৃষ্টি করতে পারে। এমন কিছু হলে প্যানিক করবেন না। সঙ্গমের পরে ১০ মিনিট শান্ত হয়ে শুয়ে থাকুন। যোনিকে স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে দিন। সঙ্গীকে বলুন সাবধানে দু’টি আঙুল ব্যবহার করে কন্ডোম বা ট্যামপুনটি বের করে আনতে। তবে অনেক ভিতরে আটকালে চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই ভাল।

২) কিছু কিছু সেক্স পজিশন রয়েছে যেখানে মেয়েরা থাকে ছেলেদের শরীরের উপরে। এই ধরনের পজিশনে মেয়েদের ফিটনেস অনেক বেশি থাকতে হয়, না হলে ব্যাক পেইন হতে পারে। আবার ‘ম্যাজিক মাউন্টেন’ পজিশনে মেয়েদের কোমর ও শিরদাঁড়া এমন ভাবে বেন্ড হয় যে এর থেকে মাসল স্প্রেইন হতে পারে। তেমন কিছু হলে প্রথমে ব্যথার জায়গায় কোল্ড কমপ্রেস করুন। মাসলের প্রদাহ কমে গেলে হট কমপ্রেস দিন, যাতে ব্যথা কম যায়।

৩) ব্যাক পেনের মতো হতে পারে কার্পেট বার্ন। সাধারণ মিশনারি পজিশনে যদি কার্পেটে বা একটু শক্ত কোনও তলে সঙ্গম হয় তবে মেয়ের ত্বকের সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে। এই ক্ষতে প্রথমে অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ক্রিম লাগাতে হবে। তার পরে ভাল করে ব্যান্ডেজ করতে হবে। বেশি কেটে গেলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। এই ধরনের কিছুর সম্ভাবনা আটকাতে সব সময় কোমরের তলায় একটি বালিশ রাখবেন।

৪) যোনির ভিতরের অংশটি ছড়ে যেতে পারে বা কেটে যেতে পারে। এমনটা তখনই হয় বেশি যখন মেয়েদের অ্যারাউজাল হয় না তবুও পুরুষাঙ্গ ইনসার্ট করা হয়। যোনির অভ্যন্তর শুষ্ক থাকায় অতিরিক্ত ঘর্ষণে যোনির ভিতরের দেওয়াল কেটে যেতে পারে, রক্তপাতও হতে পারে। এটি মেয়েদের কাছে সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক সেক্স ইনজুরি। প্রথমত, লুব্রিক্যান্ট এবং লুব্রিকেটেড কনডোম ব্যবহার করলে এই ধরনের সম্ভাবনা অনেকটাই এড়ানো যায়। তবে যদি অসাবধানে এই ধরনের ক্ষত হয়ে থাকে, এবং ইউরিন করার সময়ে যথেষ্ট জ্বালা হয় তাহলে দেড়ি না করে স্ত্রীরোগ-বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত। অ্যান্টিবায়োটিক না খেলে এই ধরনের ক্ষত না-ও সারতে পারে এবং ইনফেকশন মারাত্মক আকার নিতে পারে।

৫) সেক্স টয় ব্যবহারের ফলে শুধু যোনি নয়, ইউরিনারি ট্যাক্ট মারাত্মকভাবে আহত হতে পারে। এর ফলে অসহ্য যন্ত্রণা এবং ব্লিডিং দুই-ই হতে পারে। তাই সেক্স টয় খুব সাবধানে ব্যবহার করা উচিত। দামি সিলিকন টয় ব্যবহার করাই ভাল, এতে ইনজুরির সম্ভাবনা কম। আর এই ধরনের ইনজুরি হলে এমার্জেন্সি হিসাবে তার চিকিৎসা করা উচিত।