করোনা সংক্রমণ রুখতে অপরাধীদের সাময়িক মুক্তি কি আদৌ যুক্তিযুক্ত

নরেন্দ্রনাথ কুলে, কলকাতা মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা। তাই করোনার ভয় যে কোনো ‘সোস্যাল গ্যাদারিং’-এ। প্রথমে জনতা কারফিউ। তারপর লকডাউন। ‘সোস্যাল ডিসট্যান্সিং’ মেনে চলা। ‘হু’ যদিও এটাকে ‘সোস্যাল ডিসট্যান্সিং’ না বলে ‘ফিজিক্যাল ডিসট্যান্সিং’ বলা উচিত বলে মনে করে। শুধু বাইরে নয়। এই নিয়ম জেলের ভেতরেও নাকি মেনে চলা দরকার। কিন্তু জেলে অপরাধীদের মেনে চলা সম্ভব নয়। তাই জেলে ভিড় কমাতে তিন হাজার কয়েদির সাময়িক মুক্তির কথা বলা হচ্ছে।  যে ভিড় থেকে বা যেভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে, জেলের ভেতরে সেই সম্ভাবনার প্রসঙ্গ উঠছে কি করে? তার মানে ভিড় থেকে কি এই ভাইরাসের সংক্রমণ? তা ত নয়। কারণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই ভাইরাসের সংক্রমণে থাকা মানুষের সংস্পর্শে এলেই তার সম্ভাবনা বেশি। তাহলে সেই সম্ভাবনার বাস্তবতা জেলের ভেতরে কি করে সম্ভব? যদি ধরে নিই লকডাউনের আগের পনেরো দিনের মধ্যে যাদের জেল হল তাদের থেকে একটা সম্ভাবনা থাকতে পারে। কিন্তু তাকে আইসোলেট করা অতি সহজ ব্যাপার নয় কি? এ পর্যন্ত তা কি করা হয়েছে? যদি কেউ ভাইরাস সংক্রমণের স্পর্শ নিয়ে জেলে বন্দি থাকত, তাহলে এতদিনে জেলের ভেতরে সংক্রমণের খবর না হয়ে থাকত কি?

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী কি শুনতে পান আমজনতার মন কি বাত?

তাই ভাইরাসের সংক্রমণের কথা তুলে জেলে ভিড় কমাতে অপরাধীদের সাময়িক মুক্তির কথা লকডাউনের বিধিনিষেধের কথার যুক্তি থেকে আদৌ কতটা যুক্তিযুক্ত?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *