ধ্বংসলীলা ঠেকাতে প্রশাসন মৌন! তবে কি মৌনতা সম্মতির লক্ষণ?

চারিদিকের অস্বাভিক পরিস্থিতি প্রশাসন কি কড়া হাতে ঠেকাতে পারত না?

নরেন্দ্রনাথ কুলে: ধ্বংসলীলা ঠেকাতে প্রশাসন মৌন! আইন মানুষকে সংযত থাকার কথাই বলে। কিন্তু আজ যে আইন দেশজুড়ে মানুষকে অসংযত করে তুলল, তা কতটাই বা আইন সংগত। তবুও বলতে হয় আইন আইনের পথে চলে। সেই পথে বিশৃঙ্খল মানুষের শৃঙ্খলাবদ্ধ ধ্বংসাত্মক কাজকে এখনও আটকানো গেল না। এই বাংলায় তারা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ভরসা রাখতে পারেনি। যদিও তিনি নতুন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার আগে থেকেই হুঙ্কারের সুরে ভরসা দিয়েছিলেন যে এই বাংলায় কিছু হবে না। তবুও বিশ্বাস রাখতে পারেনি ওঁর ওপর। তাই শান্ত থাকার জন্য তাঁর আবেদনে সাড়া দেয়নি তারা। so এমনকী ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও তাঁর কথায় কান দেয়নি। ঠিক আছে তারা কান দেয়নি। কিন্তু প্রশাসনের চোখ কান অকেজো হয়ে পড়ল কি করে? যার ফল, শুক্রবার থেকে একের পর এক ধ্বংসলীলা চলছে। কাউকে গ্রেফতার করাও সম্ভব হয়নি। জনতাকে গ্রেফতার? অসম্ভব। যা করছে ‘মব’ এ করেছে। so এ কথা বললে, আইনে আর চিহ্নিত করার কথা আসে না। প্রশাসনের মাথাব্যথাও কমে যায়। ঠিক কথা। কিন্তু এই ধ্বংসলীলা কি আমরা থামাতে পারতাম না? so 

আরও পড়ুন: মানুষের এই বিশৃঙ্খল প্রতিবাদ কেন?

so কেন্দ্রীয় সরকারের এই আইন বিভাজনের আইন– এই বলে যখন প্রতি পদে পদে আপনি ও আপনারা যখন প্রতিবাদ করেছেন, so তখন সেই আইন পাশ হওয়ার সাথে সাথে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল না কি? প্রশাসনের ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চও অসফল হয়  কি করে? আর তা যদি হয়েও থাকে, তবুও স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করা যেতেই পারত। তা হয়নি। so যদি হত,  প্রথম দিন অর্থাত শুক্রবারের ঘটনার পর থেকে অন্তত এই ধ্বংসলীলা হয়তো বন্ধ করা সম্ভব হত। কিন্তু সেটা হয়নি। প্রশাসন এক ধরনের মৌনতা পালন করল কি? যদি তাই হয়, তাহলে ওই প্রবাদটা মনে পড়ে ‘মৌনতা সম্মতির লক্ষণ’ । যদি তাইও হয়। কিন্তু কেন?  আর একটি কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, এই ধ্বংসলীলায়  কারও কাছে পৌষ মাস হিসেবে দেখা দেবে কিনা জানা নেই, তবে সর্বনাশ যে সেই মানুষের তা আর বলার অপেক্ষা রাখে কি? ধ্বংসলীলা ঠেকাতে প্রশাসন মৌন

 

ক্লিক করে পড়ুন ‘সাতসকাল’ ই-খবরের কাগজ

The post satsakal 12-05-2021 appeared first on satsakal.com.