প্রধানমন্ত্রী নিজে সিএবি-র সমর্থনে ভোট দেননি! মুখ্যমন্ত্রী এই কথা কেন বললেন?

প্রধানমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সমর্থন করেন না, তৃণমূলের আট সাংসদকে বাঁচাতেই কি এই দাবি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী?

প্রধানমন্ত্রী নিজে সিএবি-র সমর্থনে ভোট দেননি! মুখ্যমন্ত্রী এই কথা কেন বললেন? নাগরিক সংশোধনী আইন ও এনআরসি নিয়ে গোটা দেশ যখন উত্তাল তখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নাগরিকপঞ্জী এবং নাগরিক সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করেছেন। তেমনই শুক্রবার পার্ক সার্কাস ময়দানে একটি সভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই সভায় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সমর্থন করেন না। কারণ হিসাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিলের সমর্থনে ভোট দেননি। তাই এই আইন প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। so

so মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, লোকসভা ও রাজ্যসভা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের ভোটাভুটিতে সংসদের উভয়কক্ষেই গরহাজির ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী কেন নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের ভোটাভুটিতে সংসদের উভয়কক্ষে উপস্থিত ছিলেন না সেই প্রশ্নও তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,”সিএবি এত ভালো, প্রধানমন্ত্রী আপনি ভোট দিলেন না কেন? সংসদে আপনি ছিলেন না। আপনি ভোট দিলেন না। তাহলে আপনিও সমর্থন করেন না। সমর্থন না করলে প্রত্যাহার করে নিন।” মমতা আরও বলেন,”লুকিয়ে লুকিয়ে বিল আনে। বিল আনার আগে ভাবনাচিন্তার সময়ও দেয়নি। মিড নাইটে পাস করিয়ে দিয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে তাই।” so

আরও পড়ুন: এনআরসি এবং সিএএ-এর বিরোধীতায় মুখ্যমন্ত্রীর আন্দোলন কি কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়াতে পারছে?

so তবে তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে, লোকসভায় এনআরসি নিয়ে যখন ভোটাভুটি হয়েছিল তখন তৃণমূলের আটজন সাংসদ অনুপস্থিত ছিলেন। দীপক অধিকারী ওরফে দেব, মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহান শিশির অধিকারী, দিব্যেন্দু অধিকারী, সাজদা আহমেদ, খলিলুর রহমান ও চৌধুরী মোহন জাটুয়া। তাহলে মুখ্যমন্ত্রী যদি প্রধানমন্ত্রীর গরহাজির নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাহলে তৃণমূলের ৮ জন সাংসদ কেন অনুপস্থিত ছিলেন সেই নিয়ে প্রশ্ন তুললেন না কেন? so

তবে লোকসভায় ভোটাভুটিতে অনুপস্থিত থাকার জন্য দেব, মিমি, নুসরতকে নেটিজেনদের বিতর্কেরও মুখেও পড়তে হয়েছে। তবে নুসরত গা বাজাতে সাফাই দিয়েছেন। টুইট করে লিখেছিলেন, ‘সহকর্মী ও আমি এনিয়ে ব্যাখ্যা দিতে চাই। আমরা শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। এটা আমাদের একটা অতিরিক্ত দায়িত্ব। সেটে তিনশোরও বেশি মানুষ প্রতিদিন ৩০০ টাকার মজুরিতে কাজ করেন।’ রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে নিজের দলের আট সদস্যকে সমালোচনার হাত থেকে বাঁচাতেই কি প্রধানমন্ত্রীর দিকে আঙুল তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? প্রধানমন্ত্রী নিজে সিএবি-র সমর্থনে ভোট দেননি! মুখ্যমন্ত্রী এই কথা কেন বললেন?

ক্লিক করে পড়ুন ‘সাতসকাল’ ই-খবরের কাগজ

The post satsakal 06-05-2021 appeared first on satsakal.com.