যশের আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছেন গ্রামবাসীরা

শ‍্যাম বিশ্বাস (উওর ২৪ পরগনা): গতবছর আম্ফান ঝড়ে তীব্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখা, সন্দেশখালি, নেজাট সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল ব্যাপক পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল সেই আম্ফান ঝড়ের বছর ঘুরতেই আবার মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে যশ নিয়ে, তাই দেগঙ্গার চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে বিদ্যাধরী নদীর পাড়ে বসবাসকারী গাংনিয়া ও গাংধুলাট দুটি গ্রামের মানুষের নিরাপদ আশ্রয় যাওয়ার জন্য মাইকিং প্রচার চলছে।

এদিকে আগামীকাল রবিবার থেকে যশ নামক ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে চলেছে আছড়ে পড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের উপরে, তাই চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে মাইকিং শুরু হয়েছে যে প্রত্যেকটি মানুষকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার, প্রশাসনিকভাবে এই মাইকিং হওয়ার পরেই গ্রামের মানুষ দলে দলে বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা জানান, যে তিনি গত ৩০ বছর ধরে এই গাংনিয়া ও গাংধুলাট এলাকায় নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে এদিকে ঘূর্ণিঝড় যখন আছড়ে পড়বে এর ফলে প্রায় শতাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ১০০ উপরে বাড়ি। তাই এলাকার মানুষ আতঙ্কিত গ্রাম ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হুমায়ন রেজা চৌধুরী জানান, সরকারিভাবে নির্দেশিকা জারি হওয়ার সাথে সাথে নদীর নিকটবর্তী বসবাসকারী মানুষকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছে এবং মাইকিং প্রচার শুরু হয়েছে পাশাপাশি চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। অনেকে এই শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।

ক্লিক করে পড়ুন ‘সাতসকাল’ ই-খবরের কাগজ

The post satsakal 15-06-2021 appeared first on satsakal.com.