মানুষের এই বিশৃঙ্খল প্রতিবাদ কেন?

জনগণ এইভাবে বিশৃঙ্খল প্রতিবাদে জড়িয়ে পড়ছে কেন?

নরেন্দ্রনাথ কুলে: মানুষের এই বিশৃঙ্খল প্রতিবাদ কেন? নির্বাচনী ইস্তাহারে দেওয়া কথাগুলো একটি একটি করে বিজেপি রেখে চলেছে। ইস্তাহারের ১২নং পাতায় কাশ্মীরে ৩৫এ ও ৩৭০ ধারা রদ করার কথা বলেছিল। তা তারা রেখেছে। ৩৬ পাতায় তাঁরা সাংবিধানিক উপায় খুঁজে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রামমন্দির গড়ার কথা বলেছিল। তাও তাঁরা বিশেষভাবে সেই মতই সফল। কোনও প্রতিবাদ তাঁদের বাধা হয়ে ওঠেনি। কারণ গণতন্ত্রের সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাঁদের। সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে পাশ হল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। পাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য বিশেষ করে অসমে আইন-শৃঙ্খলা বিপর্যস্ত অবস্থায় পৌঁছে গেল মানুষের প্রতিবাদে। পশ্চিমবঙ্গের অবস্থাও ক্রমশ ভারী হয়ে পড়েছে। বিদগ্ধজনেরা শান্তি বজায় রাখতে আহ্বান করেছেন। তাঁরা চাইছেন প্রতিবাদ হোক শান্তিপূর্ণভাবে। সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আবেদনও সেই শান্তির সুর। তাহলে মানুষ এমন বিশৃঙ্খল প্রতিবাদে জড়িয়ে পড়ছে কেন?

আরও পড়ুন: ভারতের প্রতিটি পুরুষ কি একজন ধর্ষক? রাহুলকে প্রশ্ন স্মৃতির

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পেশ হল আর তা আইনে পরিণত হঠাৎই হল এমনটা তো নয়। এ কথাও বিজেপির নির্বাচন ইস্তাহারেই ছিল। তাদের ইস্তাহারের ১২ নং পাতাতেই পরিষ্কারভাবে এই বিল এমনভাবেই নিয়ে আসার জন্য তারা অঙ্গীকার করেছিল। তাদের এই অঙ্গীকারে মানুষ তখন বিশৃঙ্খল হয়নি । এখন সেই অঙ্গীকার তারা যখন রাখল, মানুষ বিশৃঙ্খল হয়ে উঠল। আজ মানুষ বিজেপির অঙ্গীকারের মহত্ত্ব যেমন করে বুঝে প্রতিবাদী হল, তেমন করে বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের সময় বুঝতে পারল না কেন?  তাহলে এর দায় কার? মানুষের এই বিশৃঙ্খল প্রতিবাদ কেন

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পেশ হল আর তা আইনে পরিণত হঠাৎই হল এমনটা তো নয়। এ কথাও বিজেপির নির্বাচন ইস্তাহারেই ছিল। তাদের ইস্তাহারের ১২ নং পাতাতেই পরিষ্কারভাবে এই বিল এমনভাবেই নিয়ে আসার জন্য তারা অঙ্গীকার করেছিল। তাদের এই অঙ্গীকারে মানুষ তখন বিশৃঙ্খল হয়নি । এখন সেই অঙ্গীকার তারা যখন রাখল, মানুষ বিশৃঙ্খল হয়ে উঠল। আজ মানুষ বিজেপির অঙ্গীকারের মহত্ত্ব যেমন করে বুঝে প্রতিবাদী হল, তেমন করে বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের সময় বুঝতে পারল না কেন?  তাহলে এর দায় কার? 

 

ক্লিক করে পড়ুন ‘সাতসকাল’ ই-খবরের কাগজ

The post satsakal 12-05-2021 appeared first on satsakal.com.