গোষ্ঠীকোন্দল, শাসকদলের প্রধানের স্বামীর উপর গভীর রাতে হামলা

তনুজ জৈন (মালদা): গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে আক্রান্ত হলেন শাসক দলের প্রধানের স্বামী। গভীর রাত্রে মাঝ রাস্তায় প্রাণনাশের চেষ্টা। গ্রামবাসীর তৎপরতায় অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন শাসক দলের প্রধানের স্বামী। ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকা জুড়ে। বাড়ির সামনে নলকূপ লাগানো নিয়ে বিবাদ। এর জেরে গভীর রাত্রে আক্রান্ত হলেন প্রধানের স্বামী। আক্রমণকারীরা মোটরসাইকেলে চেপে চম্পট দেয়। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে গভীর রাতে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার কাপাই চন্ডী গ্রামের বাসস্ট্যান্ডের কাছে কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসক দলের প্রধানের স্বামীর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালালো কিছু দুষ্কৃতী।

যদিও এই ঘটনায় প্রধানের স্বামী আহত হলেও অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। তবে এলাকাবাসীদের তারা খেয়ে এলাকার ছেড়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। যদিও এলাকার এক পক্ষের অভিযোগ, কল বসানো নিয়ে প্রধানের স্বামী ১০ হাজার টাকা কাটমানি চাওয়াতেই এই হামলা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে প্রধানের স্বামী আব্দুর রশিদের অভিযোগের তীর কংগ্রেসের দিকে, পাল্টা কাটমানি ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা কটাক্ষ কংগ্রেসের। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

স্থানীয় সূত্রে খবর কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাগমারা গ্রামের পঞ্চায়েত মেম্বার আখতারী খাতুন তিনি এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। কিছুদিন আগে ওই গ্রামের এক তৃণমূল কর্মী সঞ্জুর আলী নামে বাসিন্দার সঙ্গে বচসা হয় প্রধানের স্বামীর সঙ্গে। সেখানেই তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই গতকাল গভীর রাত্রে প্রধানের উপর প্রাণঘাতী হামলা করা হয়। ঘটনার সঙ্গে এদের যোগ থাকার সূত্র দেখতে পাচ্ছে অনেকে। যদিও সঞ্জুর আলী নামক ওই বাসিন্দার পরিবারের দাবি তারা এ ঘটনার সঙ্গে কোন মতেই যুক্ত না। পঞ্চায়েত সমিতি থেকে তারা একটি নলকূপ পান তাদের বাড়িতে বসানোর জন্য। কিন্তু ওই নলকূপ বসাতে গেলে প্রধান ও তার স্বামী ১০ হাজার টাকা কাটমানি দাবি করে বসে। কিন্তু সঞ্জুর আলীর পরিবার ওই টাকা দিতে নারাজ। এ নিয়ে খানিকটা গণ্ডগোল হয়েছিল।