মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন, করোনা সংক্রমণ রুখতে মোদির পরামর্শ

করোনার বেলাগম সংক্রমণ। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল আকার ধারণ করছে। সংক্রমণ কীভাবে আটকানো যায় তারজন্য দফায় দফায় বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার তিনি কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভারচুয়ালি কথা বলেন। এই বৈঠক শেষে তাঁর খুব সুনির্দিষ্ট পরামর্শ, মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনে জোর দিতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে সবাইকে। তবে এও খেয়াল রাখতে হবে যাতে মানুষ অযথা আতঙ্কিত না হন। 
এর পাশাপাশি ভারতে করোনা ভ্যাকসিনের গুরুত্ব বুঝিয়ে বলেন, মহামারীর বিরুদ্ধে লড়তে পারে একমাত্র ভ্যাকসিনই।  এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রের টিকাকরণের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন তিনি। দেশের ৯২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেয়ে গিয়েছেন। শুধু দেশেই নয়, ভারতীয় টিকা বিশ্বের নানা দেশে সমাদৃত হয়েছে। অনেকেই এর উপর নির্ভরশীল। ওমিক্রন করোনার অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় আরও দ্রুত সংক্রামক, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

এছাড়া করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো-সহ একাধিক কাজে কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলির জন্য যে ২৩ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে, তার সদ্ব্যবহার হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ নিয়ে রাজ্যগুলিকে কৃতিত্বও দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের রূপরেখা স্থির করার সময় আমাদের মনে রাখতে হবে, সাধারণ নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনযাপনে যেন কোনও সমস্যা না হয়। স্থানীয় স্তরে কনটেনমেন্ট জোনের দিকে নজর দিতে হবে। তবে অযথা আতঙ্কিত হওয়া চলবে না। বহু রোগী হোম আইসোলেশনে আছেন এই মুহূর্তে। তাঁরা সকলে কেন্দ্রের দেওয়া গাইডলাইন মেনে চলুন। মনে রাখতে হবে, আমরা কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতেই ২ বছর পেরিয়ে এসেছি। এখন সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। ” এতেও সংক্রমণ না কমলে আরো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।


টাচ করুন, দেখুন আপনার প্রিয় অভিনেত্রীদের অসংখ্য ফটো