মহারাষ্ট্রে সরকার পুরোপুরি শক্তিশালী, বিরোধীরা কোয়ারেন্টিনে যাক, বললেন সঞ্জয় রাউত

মিডিয়া উইন্ডো ওয়েব ডেস্ক: দেশে করোনা ভাইরাসের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। তার মধ্যে মহারাষ্ট্রের সংক্রমণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। আর এই নিয়েই মহারাষ্ট্রের রাজনীতিও সরগরম হয়ে উঠেছে। এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার এবং সিনিয়র বিজেপি নেতা নারায়ণ রেনের সোমবার গভর্নর ভগত সিং কোশিয়রের সাথে পৃথক বৈঠকের পর রাজনৈতিক আলোড়ন তীব্রতর হয়েছে। বিরোধী দলগুলি মহারাষ্ট্র সরকার বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছে। এই আবহে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সাথে দেখা করেন। দুই নেতা বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে করোনার সংকট এবং বিজেপির ক্রমাগত আক্রমণ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত ট্যুইটারে এই বৈঠকের ব্যাপারে তথ্য দিয়েছেন।
অন্যদিকে রাজ্যে করোনা ভাইরাসের ক্রমবর্ধমান প্রবণতার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি করেছে। একই সঙ্গে কংগ্রেস বলছে যে বিজেপি ক্ষমতার বাইরে তাই তারা তা সহ্য করতে পারছে না। সিনিয়র বিজেপি নেতা নারায়ণ রেনের বলেছেন যে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। করোনার সাথে লড়াই করার ক্ষমতা এই সরকারের নেই। সুতরাং রাজ্যে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা উচিত। গভর্নর ভগত সিং কোশিয়ারির সাথে সাক্ষাতের পরে তিনি সেনাবাহিনীকে আমন্ত্রণ জানানোর কথাও বলেছিলেন।
শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন নিয়ে কেন্দ্র এবং মহারাষ্ট্র সরকারের মধ্যে দড়ি টানাটানির পর শিবসেনা এবার বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে। শিবসেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউত বিজেপির উপর আক্রমণ করে মঙ্গলবার একটি ট্যুইটে জানান, মহারাষ্ট্র সরকার পুরোপুরি শক্তিশালী এবং এতে চিন্তার কিছু নেই। শিবসেনা সাংসদের ট্যুইটে লেখেন, “বিরোধী দলগুলি মহারাষ্ট্র সরকার বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছে। আমার মতে বিরোধীদের কোয়ারেন্টিনে যাওয়া উচিত। মহারাষ্ট্র সরকারকে অস্থিতিশীল করার সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। জয় মহারাষ্ট্র!”
উল্লেখ্য যে এর আগে সঞ্জয় রাউত এবং রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের মধ্যে একটি ট্যুইট যুদ্ধ হয়েছিল। যেখানে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন নিয়ে উভয় পক্ষেই দাবি করে আসছিল। পীযূষ গোয়েল ট্যুইটারে উদ্ধব সরকারের কাছ থেকে শ্রমিকদের একটি তালিকা চেয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে রেলওয়ে ট্রেনের ব্যবস্থা করছে। সেখানে প্রতিক্রিয়া হিসাবে সঞ্জয় রাউতের পক্ষে বলা হয়েছিল, আমরা তালিকাটি দিয়েছি তবে ট্রেনটি যেখানে যাওয়ার সেখানেই পৌঁছানো উচিত। এছাড়া দুই নেতাকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ধারাবাহিকভাবে বাকবিতণ্ডা করতে দেখা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *