৯ মিনিট আলো নিভিয়ে আদৌ কি করোনা ভাইরাস মোকাবিলা কি সম্ভব ?  

নরেন্দ্রনাথ কুলে, কলকাতা:  করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দেশের সব মানুষকে এক হয়ে লড়তে হবে । তা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করেছেন লকডাউন শুরুর পূর্ব মুহূর্তে । সকল মানুষকে সেদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে কাঁসর ঘন্টা বাজাতে আহ্বান করেছিলেন । আর আজকে আহ্বান করলেন আগামী ৫ এপ্রিল রাত ৯ টায় ৯ মিনিট ঘরে ঘরে আলো নিভিয়ে ব্যালকনিতে বা বাড়ির দরজায় প্রদীপ, টর্চ, মোমবাতি জ্বালাতে । এভাবে মনে হবে সবাই আমরা একসঙ্গে লড়ছি । এই একতা ভাইরাস মোকাবিলায় সাহস জোগাবে । সত্যি, এইভাবে ভাইরাস মোকাবিলা কি সম্ভব ?

আরও পড়ুন: লকডাউন! গরিবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আদৌ কী মানবিকতার পরিচয় দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি?

ভাইরাস মোকাবিলায় লকডাউন একটা পদক্ষেপ সেটি আজ সবাই বুঝতে পেরেছেন । কারণ এই লকডাউন পিরিয়ড মানুষের এই ভাইরাস বয়ে নেওয়া যাওয়া বন্ধ করবে । আর এই সময়ে ‘সোস্যাল ডিসট্যান্সিং’ মেনে চলার কথা বলা হলেও একশ শতাংশ তা এখনো মানুষ  মানছে না । সে ছবি খবরে ভেসে উঠছে । তার মানে মানুষ সঠিকভাবে সতর্ক হতে পারেনি বা সতর্ক হতে চায়নি । এই সতর্কতা মানে মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা ।  স্বাস্থ্য সচেতনতা একটি শিক্ষা । সেই শিক্ষায় মানুষ যেমন নিজে সচেতন হয়, তেমন দেশের স্বাস্থ্যও ভালো হয় ।  সুতরাং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একতা হওয়ার জন্য যে পদ্ধতি বলেছেন, সেই পদ্ধতিতে মানুষের এই সতর্কতা কি বাড়বে ?

আরও পড়ুন: করোনার সংক্রমণ অর্থনীতিতেও, পিপিএফ সহ অন্যান্য স্বল্পসঞ্চয় প্রকল্পে কমল সুদের হার

ভাইরাস মোকাবিলায় আর একটি পদক্ষেপ হল মানুষের জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা । এই পরিষেবা আজকের এই সময়ে করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে মানুষের কাছে কতটা পৌঁছতে পারছে । সেটা একমাত্র ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সঠিকভাবে বুঝতে পারছেন । স্বাস্থ্য  পরিষেবার অপ্রতুলতা যদি থাকে তা তুলে ধরার সাহস স্বাস্থ্যকর্মীরা কি পাচ্ছেন ? যদি পান, তাহলে স্বাস্থ্য কর্মীদের মনোবল যেমন বাড়তে পারে, তেমন স্বাস্থ্য পরিষেবার মানও বাড়তে পারে । আর মানুষের কাছে পৌঁছবে সুস্থ স্বাস্থ্য পরিষেবা । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একতা হয়ে লড়ার জন্য যে পদ্ধতি বলেছেন, সেই পদ্ধতিতে এটা কি হওয়া সম্ভব?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *