গৃহবধূকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে, গ্রেপ্তার ৩

মনিরুল হকঃ এক গৃহবধূকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মাথাভাঙ্গা হাজরাহাটের ছাট পাখিহাগা এলাকায়। ওই ঘটনার জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ওই ঘটনার পর মৃত গৃহবধূর পরিবারের লোকজন ৬ জনকে অভিযুক্ত করে মাথাভাঙ্গা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সুত্রে।

মৃত গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগ, বছর চারেক আগে বিশাখা সরকারের বিয়ে হয় রঞ্জন বিশ্বাস নামে এক যুবকের সাথে। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই বিশাখার উপরে অত্যাচার শুরু হয় তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলে অভিযোগ। তাদের দুই বছরের পুত্র সন্তান রয়েছে। অভিযোগ, বিয়ের সময় যৌতুক নিয়েছিল রঞ্জনের পরিবার।কিন্তু তারপরেও মেয়েকে চাপ দিত বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার। তাতে মেয়ে রাজি না হওয়ায় তার উপর চলত মানসিক এবং শারীরিক ভাবে নির্যাতন। তারপর ১ লা জানুয়ারি পরিবারের সব সদস্য একত্রিত হয়ে প্রথমে বিশাখাকে মারধর করে,পরবর্তীতে কেরোসিন এবং পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় সেখানে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি,এই ঘটনার দ্রুত নিষ্পত্তি করে দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। এলাকায় সভ্য এবং ভদ্র বলেই পরিচিত ছিলেন বিশাখা সরকার। তার এই করুন পরিণতি মেনে নিতে পারছে না স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই ঘটনায় এলাকার মানুষ ও পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিন এবিষয়ে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুরজিৎ মন্ডল জানান,অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই তদন্ত শুরু হয়েছে।দেহ কোচবিহার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ওই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি তিনজন এই মুহূর্তে ফেরার।তাদের খোঁজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সুরজিৎ বাবু আরো বলেন,ফরেনসিক দল এনে এই ঘটনার তদন্ত করা হবে।


টাচ করুন, দেখুন আপনার প্রিয় অভিনেত্রীদের অসংখ্য ফটো